অস্ট্রেড সিনিয়র কমিশনারের ইউনিভার্সাল কলেজ পরিদর্শন

অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) সিনিয়র কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিসহ অন্যান্য অতিথিদের একটি দলকে নিজেদের ক্যাম্পাসে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি)। সম্প্রতি তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। ইউসিবি ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র লিডারশিপ টিমের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ড. মনিকা কেনেডি। আমন্ত্রিত অতিথিরা ইউসিবিতে শিক্ষার অনন্য পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তারা ইউসিবির অধীনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্লোবাল স্টাডিজ সেশনেও অংশ নেন। বিজ্ঞপ্তি   Published in: Sharebiz

অস্ট্রেড কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিকে অভ্যর্থনা জানালো ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) সিনিয়র কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিসহ অন্যান্য অতিথিদের একটি দলকে নিজেদের ক্যাম্পাসে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি)। আজ মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল, ২০২৪) সকালে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। ইউসিবি ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র লিডারশিপ টিমের কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন ড. মনিকা কেনেডি। আমন্ত্রিত অতিথিরা ইউসিবি’তে শিক্ষার অনন্য পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এসময় তারা ইউসিবি’র অধীনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সাথে গ্লোবাল স্টাডিজ সেশনেও অংশ নেন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী ও কার্যকরী করে তোলা, এবং অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থান সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আরো সমৃদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে মূলত এই অতিথিদের আমন্ত্রণ জানায় ইউসিবি। আগত অতিথিরা ইউসিবি’র শিক্ষার্থী, অ্যাকাডেমিক সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তাদের উপস্থিতিতে প্রদর্শিত ইউসিবি শিক্ষার্থীদের একটি প্রেজেন্টেশনে বিশ্বায়নের নানা প্রভাব, শিক্ষার ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি, এবং অস্ট্রেড ও ইউসিবি’র সমন্বিত প্রয়াসকে আরো জোরদার করে তোলার ইতিবাচক ফলাফলসহ বিভিন্ন দিক উঠে আসে। আয়োজনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য মোনাশ স্কলারশিপ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে বিভিন্ন তথ্য আলোচিত হয়। ইনফরমেশন সেশনে ইউসিবি’র স্বীকৃতি কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় সহজে পড়াশোনা, চাকরি ও আবাসনের সুযোগ তৈরি করবে – এ প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হয়। “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত আগ্রহী ও সহযোগিতাপূর্ণ রয়েছে অস্ট্রেলিয় সরকার”, বলেন ড. মনিকা কেনেডি। উল্লেখ্য, ড. মনিকা কেনেডি বর্তমানে দেশটির ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেক্টরিয়াল স্ট্র্যাটেজি’র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া পাথওয়ে, এলিকোস, ভিই ও উচ্চশিক্ষাসহ অস্ট্রেলিয়া সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। ইউসিবি’র প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট প্রফেসর হিউ গিল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সেরা মানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে মোনাশ পার্টনারশিপের মতো উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশে আমাদের মোনাশ প্রোগ্রামগুলো রীতিমতো অনন্য, কারণ ইউসিবি থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করা প্রত্যেক শিক্ষার্থী মোনাশ ইউনিভার্সিটিতে যোগদানের নিশ্চিত সুযোগ পাচ্ছেন। তাছাড়া, আমাদের পাসের হার ৯৭ শতাংশ, যার অর্থ হল বিশ্বের শীর্ষ ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য আমরাই দিচ্ছি সেরা মানের ইন্টারন্যাশনাল পাথওয়ে সুবিধা”। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি বাংলাদেশে মোনাশ মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া’র একমাত্র অংশীদার। ভবিষ্যতে অস্ট্রেডসহ অন্যান্য বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে একযোগে এমন আরো অনন্য সুযোগ তৈরিতে আগ্রহী রয়েছে ইউসিবি। যেগুলোর মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরের মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দানের সুযোগ পাবে। ইউসিবি’র সেরা অ্যাকাডেমিক পাথওয়ে ও অন্যান্য সুবিধা সম্পর্কে জানা যাবে এই লিংকে – http://ucbbd.org/.   Published in: Deshersangbad

অস্ট্রেড কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিকে অভ্যর্থনা জানালো ইউসিবি

অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) সিনিয়র কমিশনার ড. মনিকা কেনেডি সহ অন্যান্য অতিথিদের একটি দলকে নিজেদের ক্যাম্পাসে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি)। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল, ২০২৪) সকালে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। ইউসিবি ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র লিডারশিপ টিমের কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন ড.  মনিকা কেনেডি। আমন্ত্রিত অতিথিরা ইউসিবি’তে শিক্ষার অনন্য পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এসময় তারা ইউসিবি’র অধীনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সাথে গ্লোবাল স্টাডিজ সেশনেও অংশ নেন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী ও কার্যকরী করে তোলা, এবং অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও  কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আরো সমৃদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে মূলত এই অতিথিদের আমন্ত্রণ জানায় ইউসিবি। আগত অতিথিরা ইউসিবি’র শিক্ষার্থী, অ্যাকাডেমিক সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তাদের উপস্থিতিতে প্রদর্শিত ইউসিবি শিক্ষার্থীদের একটি প্রেজেন্টেশনে বিশ্বায়নের নানা প্রভাব, শিক্ষার ভবিষ্যৎ গতি প্রকৃতি, এবং অস্ট্রেড ও  ইউসিবি’র সমন্বিত প্রয়াসকে আরো জোরদার করে তোলার ইতিবাচক ফলাফল সহ বিভিন্ন দিক উঠে আসে। আয়োজনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য মোনাশ স্কলারশিপ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে বিভিন্ন তথ্য আলোচিত হয়। ইনফরমেশন সেশনে ইউসিবি’র স্বীকৃতি কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় সহজে পড়াশোনা, চাকরি ও  আবাসনের সুযোগ তৈরি করবে – এ  প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হয়। “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত আগ্রহী ও  সহযোগিতাপূর্ণ রয়েছে অস্ট্রেলিয় সরকার”, বলেন ড. মনিকা কেনেডি। উল্লেখ্য, ড. মনিকা কেনেডি বর্তমানে দেশটির ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেক্টরিয়াল স্ট্র্যাটেজি’র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া পাথওয়ে, এলিকোস, ভিই ও উচ্চ শিক্ষাসহ অস্ট্রেলিয়া সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। ইউসিবি’র প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট প্রফেসর হিউগিল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সেরা মানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে মোনাশ পার্টনারশিপের মতো উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশে আমাদের মোনাশ প্রোগ্রামগুলো রীতিমতো অনন্য, কারণ ইউসিবি থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করা প্রত্যেক শিক্ষার্থী মোনাশ ইউনিভার্সিটিতে যোগদানের নিশ্চিত সুযোগ পাচ্ছেন। তাছাড়া, আমাদের পাসের হার ৯৭ শতাংশ, যার অর্থ হল বিশ্বের শীর্ষ ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য আমরাই দিচ্ছি সেরা মানের ইন্টারন্যাশনাল পাথওয়ে সুবিধা”। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি বাংলাদেশে মোনাশ মালয়েশিয়া ও  অস্ট্রেলিয়া’র একমাত্র অংশীদার। ভবিষ্যতে অস্ট্রেড সহ অন্যান্য বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে একযোগে এমন আরো অনন্য সুযোগ তৈরিতে আগ্রহী রয়েছে ইউসিবি। যেগুলোর মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরের মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের স্বপ্নকে বাস্তব রূপদানের সুযোগ পাবে।  ইউসিবি’র সেরা অ্যাকাডেমিক পাথওয়ে ও  অন্যান্য সুবিধা সম্পর্কে জানা যাবে এই লিংকে – http://ucbbd.org/.   Published in: Biniyougbarta

অস্ট্রেড কমিশনার মনিকা কেনেডিকে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশের অভ্যর্থনা

অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) সিনিয়র কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিসহ অন্যান্য অতিথিদের একটি দলকে নিজেদের ক্যাম্পাসে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি)। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল, ২০২৪) সকালে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। ইউসিবি ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র লিডারশিপ টিমের কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন ড. মনিকা কেনেডি। আমন্ত্রিত অতিথিরা ইউসিবিতে শিক্ষার অনন্য পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এসময় তারা ইউসিবির অধীনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সাথে গ্লোবাল স্টাডিজ সেশনেও অংশ নেন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী ও কার্যকরী করে তোলা, এবং অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থান সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আরো সমৃদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে মূলত এই অতিথিদের আমন্ত্রণ জানায় ইউসিবি। আগত অতিথিরা ইউসিবির শিক্ষার্থী, অ্যাকাডেমিক সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তাদের উপস্থিতিতে প্রদর্শিত ইউসিবি শিক্ষার্থীদের একটি প্রেজেন্টেশনে বিশ্বায়নের নানা প্রভাব, শিক্ষার ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি, এবং অস্ট্রেড ও ইউসিবির সমন্বিত প্রয়াসকে আরো জোরদার করে তোলার ইতিবাচক ফলাফলসহ বিভিন্ন দিক উঠে আসে। আয়োজনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য মোনাশ স্কলারশিপ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে বিভিন্ন তথ্য আলোচিত হয়। ইনফরমেশন সেশনে ইউসিবি’র স্বীকৃতি কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় সহজে পড়াশোনা, চাকরি ও আবাসনের সুযোগ তৈরি করবে- এ প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হয়। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত আগ্রহী ও সহযোগিতাপূর্ণ রয়েছে অস্ট্রেলিয় সরকার, বলেন ড. মনিকা কেনেডি। উল্লেখ্য, ড. মনিকা কেনেডি বর্তমানে দেশটির ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেক্টরিয়াল স্ট্র্যাটেজির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া পাথওয়ে, এলিকোস, ভিই ও উচ্চশিক্ষাসহ অস্ট্রেলিয়া সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। ইউসিবির প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট প্রফেসর হিউ গিল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সেরা মানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে মোনাশ পার্টনারশিপের মতো উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের মোনাশ প্রোগ্রামগুলো রীতিমতো অনন্য, কারণ ইউসিবি থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করা প্রত্যেক শিক্ষার্থী মোনাশ ইউনিভার্সিটিতে যোগদানের নিশ্চিত সুযোগ পাচ্ছেন। তাছাড়া, আমাদের পাসের হার ৯৭ শতাংশ, যার অর্থ হল বিশ্বের শীর্ষ ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য আমরাই দিচ্ছি সেরা মানের ইন্টারন্যাশনাল পাথওয়ে সুবিধা’। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি বাংলাদেশে মোনাশ মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র অংশীদার। ভবিষ্যতে অস্ট্রেডসহ অন্যান্য বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে একযোগে এমন আরো অনন্য সুযোগ তৈরিতে আগ্রহী রয়েছে ইউসিবি। যেগুলোর মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরেরমেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দানের সুযোগ পাবে।   Published in: Zoombangla

অস্ট্রেড কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিকে অভ্যর্থনা জানালো ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) সিনিয়র কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিসহ অন্যান্য অতিথিদের একটি দলকে নিজেদের ক্যাম্পাসে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি)। আজ মঙ্গলবার সকালে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। ইউসিবি ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র লিডারশিপ টিমের কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন ড. মনিকা কেনেডি। আমন্ত্রিত অতিথিরা ইউসিবি’তে শিক্ষার অনন্য পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এসময় তারা ইউসিবি’র অধীনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সাথে গ্লোবাল স্টাডিজ সেশনেও অংশ নেন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী ও কার্যকরী করে তোলা, এবং অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থান সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আরো সমৃদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে মূলত এই অতিথিদের আমন্ত্রণ জানায় ইউসিবি। আগত অতিথিরা ইউসিবি’র শিক্ষার্থী, অ্যাকাডেমিক সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তাদের উপস্থিতিতে প্রদর্শিত ইউসিবি শিক্ষার্থীদের একটি প্রেজেন্টেশনে বিশ্বায়নের নানা প্রভাব, শিক্ষার ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি, এবং অস্ট্রেড ও ইউসিবি’র সমন্বিত প্রয়াসকে আরো জোরদার করে তোলার ইতিবাচক ফলাফলসহ বিভিন্ন দিক উঠে আসে। আয়োজনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য মোনাশ স্কলারশিপ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে বিভিন্ন তথ্য আলোচিত হয়। ইনফরমেশন সেশনে ইউসিবি’র স্বীকৃতি কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় সহজে পড়াশোনা, চাকরি ও আবাসনের সুযোগ তৈরি করবে – এ প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হয়। “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত আগ্রহী ও সহযোগিতাপূর্ণ রয়েছে অস্ট্রেলিয় সরকার”, বলেন ড. মনিকা কেনেডি। উল্লেখ্য, ড. মনিকা কেনেডি বর্তমানে দেশটির ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেক্টরিয়াল স্ট্র্যাটেজি’র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া পাথওয়ে, এলিকোস, ভিই ও উচ্চশিক্ষাসহ অস্ট্রেলিয়া সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। ইউসিবি’র প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট প্রফেসর হিউ গিল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সেরা মানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে মোনাশ পার্টনারশিপের মতো উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশে আমাদের মোনাশ প্রোগ্রামগুলো রীতিমতো অনন্য, কারণ ইউসিবি থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করা প্রত্যেক শিক্ষার্থী মোনাশ ইউনিভার্সিটিতে যোগদানের নিশ্চিত সুযোগ পাচ্ছেন। তাছাড়া, আমাদের পাসের হার ৯৭ শতাংশ, যার অর্থ হল বিশ্বের শীর্ষ ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য আমরাই দিচ্ছি সেরা মানের ইন্টারন্যাশনাল পাথওয়ে সুবিধা”। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি বাংলাদেশে মোনাশ মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া’র একমাত্র অংশীদার। ভবিষ্যতে অস্ট্রেডসহ অন্যান্য বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে একযোগে এমন আরো অনন্য সুযোগ তৈরিতে আগ্রহী রয়েছে ইউসিবি। যেগুলোর মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরের মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দানের সুযোগ পাবে। Published in: Shobujalo

অস্ট্রেড কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিকে অভ্যর্থনা জানালো ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) সিনিয়র কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিসহ অন্যান্য অতিথিদের একটি দলকে নিজেদের ক্যাম্পাসে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি)। আজ মঙ্গলবার সকালে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। ইউসিবি ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র লিডারশিপ টিমের কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন ড. মনিকা কেনেডি। আমন্ত্রিত অতিথিরা ইউসিবি’তে শিক্ষার অনন্য পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এসময় তারা ইউসিবি’র অধীনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সাথে গ্লোবাল স্টাডিজ সেশনেও অংশ নেন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী ও কার্যকরী করে তোলা, এবং অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থান সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আরো সমৃদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে মূলত এই অতিথিদের আমন্ত্রণ জানায় ইউসিবি। আগত অতিথিরা ইউসিবি’র শিক্ষার্থী, অ্যাকাডেমিক সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তাদের উপস্থিতিতে প্রদর্শিত ইউসিবি শিক্ষার্থীদের একটি প্রেজেন্টেশনে বিশ্বায়নের নানা প্রভাব, শিক্ষার ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি, এবং অস্ট্রেড ও ইউসিবি’র সমন্বিত প্রয়াসকে আরো জোরদার করে তোলার ইতিবাচক ফলাফলসহ বিভিন্ন দিক উঠে আসে। আয়োজনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য মোনাশ স্কলারশিপ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে বিভিন্ন তথ্য আলোচিত হয়। ইনফরমেশন সেশনে ইউসিবি’র স্বীকৃতি কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় সহজে পড়াশোনা, চাকরি ও আবাসনের সুযোগ তৈরি করবে – এ প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হয়। “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত আগ্রহী ও সহযোগিতাপূর্ণ রয়েছে অস্ট্রেলিয় সরকার”, বলেন ড. মনিকা কেনেডি। উল্লেখ্য, ড. মনিকা কেনেডি বর্তমানে দেশটির ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেক্টরিয়াল স্ট্র্যাটেজি’র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া পাথওয়ে, এলিকোস, ভিই ও উচ্চশিক্ষাসহ অস্ট্রেলিয়া সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। ইউসিবি’র প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট প্রফেসর হিউ গিল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সেরা মানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে মোনাশ পার্টনারশিপের মতো উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশে আমাদের মোনাশ প্রোগ্রামগুলো রীতিমতো অনন্য, কারণ ইউসিবি থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করা প্রত্যেক শিক্ষার্থী মোনাশ ইউনিভার্সিটিতে যোগদানের নিশ্চিত সুযোগ পাচ্ছেন। তাছাড়া, আমাদের পাসের হার ৯৭ শতাংশ, যার অর্থ হল বিশ্বের শীর্ষ ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য আমরাই দিচ্ছি সেরা মানের ইন্টারন্যাশনাল পাথওয়ে সুবিধা”। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি বাংলাদেশে মোনাশ মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া’র একমাত্র অংশীদার। ভবিষ্যতে অস্ট্রেডসহ অন্যান্য বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে একযোগে এমন আরো অনন্য সুযোগ তৈরিতে আগ্রহী রয়েছে ইউসিবি। যেগুলোর মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরের মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দানের সুযোগ পাবে।   Published in: Pbd

অস্ট্রেড কমিশনার মনিকা কেনেডিকে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশের অভ্যর্থনা

অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) সিনিয়র কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিসহ অন্যান্য অতিথিদের একটি দলকে নিজেদের ক্যাম্পাসে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি)। আজ মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল, ২০২৪) সকালে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। ইউসিবি ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র লিডারশিপ টিমের কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন ড. মনিকা কেনেডি। আমন্ত্রিত অতিথিরা ইউসিবিতে শিক্ষার অনন্য পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এসময় তারা ইউসিবির অধীনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সাথে গ্লোবাল স্টাডিজ সেশনেও অংশ নেন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী ও কার্যকরী করে তোলা, এবং অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থান সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আরো সমৃদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে মূলত এই অতিথিদের আমন্ত্রণ জানায় ইউসিবি। আগত অতিথিরা ইউসিবির শিক্ষার্থী, অ্যাকাডেমিক সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তাদের উপস্থিতিতে প্রদর্শিত ইউসিবি শিক্ষার্থীদের একটি প্রেজেন্টেশনে বিশ্বায়নের নানা প্রভাব, শিক্ষার ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি, এবং অস্ট্রেড ও ইউসিবির সমন্বিত প্রয়াসকে আরো জোরদার করে তোলার ইতিবাচক ফলাফলসহ বিভিন্ন দিক উঠে আসে। আয়োজনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য মোনাশ স্কলারশিপ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে বিভিন্ন তথ্য আলোচিত হয়। ইনফরমেশন সেশনে ইউসিবি’র স্বীকৃতি কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় সহজে পড়াশোনা, চাকরি ও আবাসনের সুযোগ তৈরি করবে- এ প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হয়। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত আগ্রহী ও সহযোগিতাপূর্ণ রয়েছে অস্ট্রেলিয় সরকার, বলেন ড. মনিকা কেনেডি। উল্লেখ্য, ড. মনিকা কেনেডি বর্তমানে দেশটির ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেক্টরিয়াল স্ট্র্যাটেজির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া পাথওয়ে, এলিকোস, ভিই ও উচ্চশিক্ষাসহ অস্ট্রেলিয়া সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। ইউসিবির প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট প্রফেসর হিউ গিল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সেরা মানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে মোনাশ পার্টনারশিপের মতো উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের মোনাশ প্রোগ্রামগুলো রীতিমতো অনন্য, কারণ ইউসিবি থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করা প্রত্যেক শিক্ষার্থী মোনাশ ইউনিভার্সিটিতে যোগদানের নিশ্চিত সুযোগ পাচ্ছেন। তাছাড়া, আমাদের পাসের হার ৯৭ শতাংশ, যার অর্থ হল বিশ্বের শীর্ষ ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য আমরাই দিচ্ছি সেরা মানের ইন্টারন্যাশনাল পাথওয়ে সুবিধা’। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি বাংলাদেশে মোনাশ মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র অংশীদার। ভবিষ্যতে অস্ট্রেডসহ অন্যান্য বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে একযোগে এমন আরো অনন্য সুযোগ তৈরিতে আগ্রহী রয়েছে ইউসিবি। যেগুলোর মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরেরমেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দানের সুযোগ পাবে।   Published in: Orthosongbad

অস্ট্রেড কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিকে অভ্যর্থনা জানালো ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) সিনিয়র কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিসহ অন্যান্য অতিথিদের একটি দলকে নিজেদের ক্যাম্পাসে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি)। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল, ২০২৪) সকালে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয় ইউসিবি ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র লিডারশিপ টিমের কর্মকর্তাদের সাথেসাক্ষাৎ করেন ড. মনিকা কেনেডি।আমন্ত্রিত অতিথিরা ইউসিবি’তে শিক্ষার অনন্য পরিবেশ ঘুরে দেখেন।এসময় তারা ইউসিবি’র অধীনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সাথে গ্লোবাল স্টাডিজ সেশনেও অংশ নেন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী ও কার্যকরী করে তোলা, এবং অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আরো সমৃদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে মূলত এই অতিথিদের আমন্ত্রণ জানায় ইউসিবি।আগত অতিথিরা ইউসিবি’রশিক্ষার্থী, অ্যাকাডেমিক সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।তাদের উপস্থিতিতে প্রদর্শিত ইউসিবি শিক্ষার্থীদের একটি প্রেজেন্টেশনে বিশ্বায়নের নানা প্রভাব, শিক্ষার ভবিষ্যৎ গতি প্রকৃতি, এবং অস্ট্রেড ও ইউসিবি’র সমন্বিত প্রয়াসকে আরো জোরদার করে তোলার ইতিবাচক ফলাফলসহ বিভিন্ন দিক উঠে আসে। আয়োজনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য মোনাশ স্কলারশিপ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে বিভিন্ন তথ্য আলোচিত হয়। ইনফরমেশন সেশনে ইউসিবি’র স্বীকৃতি কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় সহজে পড়াশোনা, চাকরি ও আবাসনের সুযোগ তৈরি করবে – এ প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হয়। “বাংলাদেশিশিক্ষার্থীদেরজন্যদীর্ঘমেয়াদেঅস্ট্রেলিয়ায়পড়াশোনারসুযোগবৃদ্ধিতেঅত্যন্তআগ্রহী ও সহযোগিতাপূর্ণরয়েছেঅস্ট্রেলিয়সরকার”, বলেনড. মনিকা কেনেডি। উল্লেখ্য, ড. মনিকাকেনেডিবর্তমানেদেশটিরইন্টারন্যাশনালএডুকেশনসেক্টরিয়ালস্ট্র্যাটেজি’রপ্রধানহিসেবেদায়িত্বপালনকরছেন। এছাড়াপাথওয়ে, এলিকোস, ভিই ও উচ্চশিক্ষাসহঅস্ট্রেলিয়াসরকারেরবিভিন্নগুরুত্বপূর্ণপ্রকল্পেওনেতৃত্বদিচ্ছেনতিনি। ইউসিবি’রপ্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্টপ্রফেসর হিউ গিল বাংলাদে শিশিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সেরামানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে মোনাশ পার্টনারশিপের মতো উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরেবলেন, “বাংলাদেশেআমাদেরমোনাশপ্রোগ্রামগুলোরীতিমতোঅনন্য, কারণইউসিবিথেকেশিক্ষাসম্পন্নকরাপ্রত্যেকশিক্ষার্থীমোনাশইউনিভার্সিটিতেযোগদানেরনিশ্চিতসুযোগপাচ্ছেন। তাছাড়া,আমাদেরপাসেরহার ৯৭ শতাংশ, যারঅর্থহলবিশ্বেরশীর্ষ ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়েরঅন্তর্ভুক্তএকটিবিশ্ববিদ্যালয়েপড়াশোনারজন্যআমরাইদিচ্ছিসেরামানেরইন্টারন্যাশনালপাথওয়েসুবিধা”। শিক্ষামন্ত্রণালয়অনুমোদিতআন্তর্জাতিকশিক্ষাপ্রদানকারীপ্রতিষ্ঠানইউসিবিবাংলাদেশেমোনাশমালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া’রএকমাত্রঅংশীদার। ভবিষ্যতেঅস্ট্রেডসহঅন্যান্যবৈশ্বিকঅংশীদারদেরসাথেএকযোগেএমনআরোঅনন্যসুযোগতৈরিতেআগ্রহীরয়েছেইউসিবি।যেগুলোরমাধ্যমেদেশ ও দেশেরবাইরেরমেধাবীশিক্ষার্থীরাতাদেরবিশ্বমানেরশিক্ষাঅর্জনেরস্বপ্নকেবাস্তবরূপদানেরসুযোগপাবে। ইউসিবি’রসেরাঅ্যাকাডেমিকপাথওয়ে ও অন্যান্যসুবিধাসম্পর্কেজানাযাবেএইলিংকে – http://ucbbd.org/.-প্রেস বিজ্ঞপ্তি   Published in: Newturn24

অস্ট্রেড কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিকে অভ্যর্থনা জানালো ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) সিনিয়র কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিসহ অন্যান্য অতিথিদের একটি দলকে নিজেদের ক্যাম্পাসে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি)। আজ মঙ্গলবার সকালে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। ইউসিবি ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র লিডারশিপ টিমের কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন ড. মনিকা কেনেডি। আমন্ত্রিত অতিথিরা ইউসিবি’তে শিক্ষার অনন্য পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এসময় তারা ইউসিবি’র অধীনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সাথে গ্লোবাল স্টাডিজ সেশনেও অংশ নেন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী ও কার্যকরী করে তোলা, এবং অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থান সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আরো সমৃদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে মূলত এই অতিথিদের আমন্ত্রণ জানায় ইউসিবি। আগত অতিথিরা ইউসিবি’র শিক্ষার্থী, অ্যাকাডেমিক সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তাদের উপস্থিতিতে প্রদর্শিত ইউসিবি শিক্ষার্থীদের একটি প্রেজেন্টেশনে বিশ্বায়নের নানা প্রভাব, শিক্ষার ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি, এবং অস্ট্রেড ও ইউসিবি’র সমন্বিত প্রয়াসকে আরো জোরদার করে তোলার ইতিবাচক ফলাফলসহ বিভিন্ন দিক উঠে আসে। আয়োজনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য মোনাশ স্কলারশিপ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে বিভিন্ন তথ্য আলোচিত হয়। ইনফরমেশন সেশনে ইউসিবি’র স্বীকৃতি কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় সহজে পড়াশোনা, চাকরি ও আবাসনের সুযোগ তৈরি করবে – এ প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হয়। “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত আগ্রহী ও সহযোগিতাপূর্ণ রয়েছে অস্ট্রেলিয় সরকার”, বলেন ড. মনিকা কেনেডি। উল্লেখ্য, ড. মনিকা কেনেডি বর্তমানে দেশটির ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেক্টরিয়াল স্ট্র্যাটেজি’র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া পাথওয়ে, এলিকোস, ভিই ও উচ্চশিক্ষাসহ অস্ট্রেলিয়া সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। ইউসিবি’র প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট প্রফেসর হিউ গিল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সেরা মানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে মোনাশ পার্টনারশিপের মতো উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশে আমাদের মোনাশ প্রোগ্রামগুলো রীতিমতো অনন্য, কারণ ইউসিবি থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করা প্রত্যেক শিক্ষার্থী মোনাশ ইউনিভার্সিটিতে যোগদানের নিশ্চিত সুযোগ পাচ্ছেন। তাছাড়া, আমাদের পাসের হার ৯৭ শতাংশ, যার অর্থ হল বিশ্বের শীর্ষ ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য আমরাই দিচ্ছি সেরা মানের ইন্টারন্যাশনাল পাথওয়ে সুবিধা”। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি বাংলাদেশে মোনাশ মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া’র একমাত্র অংশীদার। ভবিষ্যতে অস্ট্রেডসহ অন্যান্য বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে একযোগে এমন আরো অনন্য সুযোগ তৈরিতে আগ্রহী রয়েছে ইউসিবি। যেগুলোর মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরের মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দানের সুযোগ পাবে।   Published in: Ekusheysangbad

অস্ট্রেড কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিকে অভ্যর্থনা জানালো ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) সিনিয়র কমিশনার ড. মনিকা কেনেডিসহ অন্যান্য অতিথিদের একটি দলকে নিজেদের ক্যাম্পাসে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি)। আজ মঙ্গলবার সকালে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। ইউসিবি ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র লিডারশিপ টিমের কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন ড. মনিকা কেনেডি। আমন্ত্রিত অতিথিরা ইউসিবি’তে শিক্ষার অনন্য পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এসময় তারা ইউসিবি’র অধীনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সাথে গ্লোবাল স্টাডিজ সেশনেও অংশ নেন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী ও কার্যকরী করে তোলা, এবং অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থান সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আরো সমৃদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে মূলত এই অতিথিদের আমন্ত্রণ জানায় ইউসিবি। আগত অতিথিরা ইউসিবি’র শিক্ষার্থী, অ্যাকাডেমিক সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তাদের উপস্থিতিতে প্রদর্শিত ইউসিবি শিক্ষার্থীদের একটি প্রেজেন্টেশনে বিশ্বায়নের নানা প্রভাব, শিক্ষার ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি, এবং অস্ট্রেড ও ইউসিবি’র সমন্বিত প্রয়াসকে আরো জোরদার করে তোলার ইতিবাচক ফলাফলসহ বিভিন্ন দিক উঠে আসে। আয়োজনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য মোনাশ স্কলারশিপ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে বিভিন্ন তথ্য আলোচিত হয়। ইনফরমেশন সেশনে ইউসিবি’র স্বীকৃতি কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় সহজে পড়াশোনা, চাকরি ও আবাসনের সুযোগ তৈরি করবে – এ প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হয়। “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত আগ্রহী ও সহযোগিতাপূর্ণ রয়েছে অস্ট্রেলিয় সরকার”, বলেন ড. মনিকা কেনেডি। উল্লেখ্য, ড. মনিকা কেনেডি বর্তমানে দেশটির ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেক্টরিয়াল স্ট্র্যাটেজি’র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া পাথওয়ে, এলিকোস, ভিই ও উচ্চশিক্ষাসহ অস্ট্রেলিয়া সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। ইউসিবি’র প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট প্রফেসর হিউ গিল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সেরা মানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে মোনাশ পার্টনারশিপের মতো উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশে আমাদের মোনাশ প্রোগ্রামগুলো রীতিমতো অনন্য, কারণ ইউসিবি থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করা প্রত্যেক শিক্ষার্থী মোনাশ ইউনিভার্সিটিতে যোগদানের নিশ্চিত সুযোগ পাচ্ছেন। তাছাড়া, আমাদের পাসের হার ৯৭ শতাংশ, যার অর্থ হল বিশ্বের শীর্ষ ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য আমরাই দিচ্ছি সেরা মানের ইন্টারন্যাশনাল পাথওয়ে সুবিধা”। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি বাংলাদেশে মোনাশ মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া’র একমাত্র অংশীদার। ভবিষ্যতে অস্ট্রেডসহ অন্যান্য বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে একযোগে এমন আরো অনন্য সুযোগ তৈরিতে আগ্রহী রয়েছে ইউসিবি। যেগুলোর মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরের মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দানের সুযোগ পাবে।   Published in: Prothombangladesh

Enquiry Form